★মক্কায়
এক
যুবক
বাস
করত।
পরহেযগার,
খোদাভীরু, তবে
খুবই
গরীব।
একদিন
যুবকটি
জীবিকার উদ্দেশ্যে, মক্কার
গলি
দিয়ে
হাঁটতে
ছিলো।
হঠাৎ,
সে
লক্ষ্য
করল-মনিমুক্তা খচিত গলার একটা
হার
পরে
আছে।
আশে
পাশে
আর
কেউ
নেই
তাই
হারটা
উঠিয়ে
নিলো।যুবক হারের
মালিকের
খোঁজে
হেরেমে
এলো।
এমন
সময়
একটা
ঘোষণা
তার
কানে
এলো-"আমি একটা হার
হারিয়েছি।
কোন
দয়ালু
ভাই
পেয়ে
থাকলে,
আল্লাহর
ওয়াস্তে হারটি
ফিরিয়ে
দেবেন।"
যুবকটা
এগিয়ে
গিয়ে
বললেন-"আপনার
হারটা
দেখতে
কেমন,
বর্ণনা
দিন
তো?
বর্ণনা
মিলে
গেলে,যুবক
হারটা
মালিকের
কাছে
হস্তান্তর করলেন।
আশ্চর্যের বিষয়
হল,
লোকটা
হার
খানা
ফিরে
পেয়ে
একটা
টু-
শব্দও
করলো
না।
সোজা
গটগট
করে
হেঁটে
চলে
গেলো।
যুবককে
সামান্য
ধন্যবাদ টুকুও
দিল
না।
যুবক
আল্লাহর
কাছে
দোয়া
করল:-ইয়া আল্লাহ!
আমি
যদি
এই
সামান্য কাজটুকু আপনাকে
সন্তুষ্ট করার
জন্যই
করে
থাকি,
আপনি
আমার
জন্য
এর
চেয়েও
ভালো
প্রতিদান
জমা
করে
রাখুন।
আমীন।"
কিছুদিন পর
যুবক
রুজি-রোজগারের
উদ্দেশ্যে জাহাজে
চড়ে
বসল।
তাকদীরের
এমনই
লিখন,
যুবকের
জাহাজ
পড়লো
ঝড়ের
কবলে।
পুরো
জাহাজ
ভেঙে
চুর-মাচুর হয়
গেলো।
হাতের
কাছে
যে
যা
পেলো
ওটা
ধরেই
ভেসে
রইলো।
যুবকও
একটা
কাঠের
টুকরা
ধরে
ভাসতে
ভাসতে
একটা
দ্বীপে
গিয়ে
ঠেকল।
সেই
দ্বীপে
সে
একটা
মসজিদ
খুঁজে
পেলো।
যুবকের
মন
খুশি
হয়ে
উঠলো।
মসজিদে
গিয়ে
শোকরানা ও
অয়াক্তিয়া নামায
আদায়
করল।
যুবকের
আশ্রয়ের দরকার
ছিল
কিন্তু
তারতো
যাওয়ার
আপাতত
কোনও
জায়গা
ছিল
না,
ভবঘুরে।
মনে
মনে
মসজিদে
থাকার
সিদ্ধান্ত
নিলো।
সে
মসজিদে
একটা
কুরআন
শরীফ
দেখতে
পেল।
বসে
বসে
কালামে
পাক
তিলাওয়াত করতে
শুরু
করল।
অচেনা
যুবককে
পবিত্র
কুরআন
শরিফ
পড়তে
দেখে
আশেপাশের সবাই
আশ্বাচরযান্বিত হয়ে
চারপাশ
থেকে
ঘিরে
ধরলো।
অবাক
হয়ে
প্রশ্ন
করলো:-আপনি কুরআন
পড়তে
পারেন
?
-জ্বী, পারি।
তারা
বললো:-আমাদের কাছে এই
কুরআন
কারীম
অনেক
দিন
ধরে
পড়ে
আছে।
আমরা
কুরআন
পড়তে
পারি
না।
আমরা
এটাকে
পরম
যতন
রেখে
দিয়েছি।
এক
নাবিকের কাছ
থেকেই
আমরা
এ
কুরআনটা কিনে
ছিলাম।
আমাদের
এই
দ্বীপে
আগে
একজন
ছিলেন, তিনি এই
কুরআন
পড়তে
পারতেন। ঠিক
করা
ছিলো,
তিনিই
সবাইকে
কুরআন
শিক্ষা
দিতেন।
একবার
তিনি
হজ্জে
গেলেন।
আর
ফিরে
আসেন
নি।
এখন
আপনি
আমাদেরকে, আমাদের
সন্তানদেরকে মেহেরবানী করে
পবিত্র
কুরআন
শিক্ষা
দিন।"
যুবক
দ্বীপবাসীদেরকে কুরআন
শিক্ষা
দিতে
সম্মতিজ্ঞাপন করল।
দ্বীপের বাচ্চাদেরকে কুরআন
কারীম
শিক্ষা
দিতে
লাগল।
তাদেরকে অন্যান্য
বিদ্যাও শেখাতে
থাকল।
কিছুদিন পর
এলাকার
মুরুব্বিরা বললেন-"আমাদের এলাকায়
একজন
ইয়াতীম
মেয়ে
আছে,
সর্বগুণে গুণান্বিতা।
আপনি
কি
তাকে
বিয়ে
করতে
রাজি
হবেন
?
-"আমার কোনও আপত্তি
নেই"-
যুবক
লাজুক
মুখে
সম্মতি
জানাল।
বিয়ে
হয়ে
গেলো।
বাসর
রাতে
স্ত্রীর
সাথে
যুবকের
সাক্ষাত হল।
যুবক
নববধুকে দেখে
কিংকর্তব্যবিমূঢ়
হয়ে
গেল।
সে
লক্ষ্য
করল
তার
বিবির
গলায়
মক্কায়
কুড়িয়ে
পাওয়া
সেই
হারটি
ঝুলছে।
যুবক
বিস্ময়ের সাথে
বিবির
কাছে
জানতে
চাইল-'এই হার তোমার
কাছে
কিভাবে
এলো
?
নববধূ
লাজুক
মুখে
উত্তর
দিলো-'আমার
আব্বু
সেবার
হজে
গেলেন।
হজ্বের
সফরে
আমার
জন্য
একটি
হার
কিনলেন।
দুর্ভাগ্যক্রমে হারটা
হারিয়ে
গেলো।
কিন্তু
এক
মহত
ব্যক্তির বদান্যতায়
হারটা
ফিরে
পেলেন।
আব্বু
সব
সময়
তার
জন্য
আল্লাহর দরবারে
দু'
আ
করতেন
আর
বলতেন“
ইয়া
আল্লাহ!
মক্কার
এই
মহত
ব্যক্তির
মতো
আমার
মেয়ের
জন্য
এমন
একজন
স্বামী
মিলিয়ে
দিন”।
যুবকের
দু
চোখ
বেয়ে
দরদর
করে
পানি
ঝরতে
লাগল।
★ ইয়া আল্লাহ্!!! আপনি
সবচেয়ে
বড়
হিকমতওয়ালা!
আপনি
সবাইকে
বোঝার
তাওফিক
দান
করুন...।
(আমীন)....

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন